হযরত আদম (আ) কে সিজদার নির্দেশ:
ফেরেশতাদের নির্দেশ দেয়া হল, তোমরা তার সামনে সিজদাবনত হও। সঙ্গে সঙ্গে সব মালায়েকা নির্দেশ পালন করল কিন্তু ইবলীস (শয়তান) গর্বভরে
সে নির্দেশ পালন করতে সোজাসোজি অস্বীকার করল। ঘটনার এই অংশটুকু পবিত্র কুরআন শরীফের নিচের আয়াতগুলোতে বর্ণনা করা হয়েছে।
وإذ قلنا للملئكة اسجدوا لادم فسجدوا إلا إبليس ـ أبي
الجنة وكلا منها رغدا حيث شئتما . ولا تقربا هذه الشجرة
تتكونا من الظالمين .
“যখন ফেরেশতাদের বললাম, আদমের প্রতি নত হও, তখন ইবলীস ছাড়া সকলেই নত হল, সে অমান্য করল ও অহংকার করল। সুতরাং সে প্রত্যাখ্যানকারীদের অন্তর্ভূক্ত হল। এবং আমি বললাম, হে আদম, তুমি ও
তোমার সঙ্গিনী স্বর্গে বসবাস কর এবং যথা ও যেথা ইচ্ছা ভক্ষণ কর। কিন্তু এ বৃক্ষের নিকটবর্তী হয়ো না; হলে, তোমরা অত্যাচারিদের অন্তর্ভূক্ত হবে।” (সূরা : বাকারা; আয়াত ৩৪-৩৫)
ولقد خلقناكم ثم صورنكم ثم قلنا للملائكة اسجدوا لادم
فسجدوا إلا إبليس . لم يكن من الساجدين -
“আমিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করি, এরপর তোমাদের রূপদান করি এবং তারপর ফেরেশতাদেরকে আদমের নিকট নত হতে বলি; ইবলীশ ছাড়া সকলেই
নত হয়। যারা নত হল সে তাদের অন্তর্ভুক্ত হল না।"
(সূরা আরাফ আয়াত 11)
যদিও আল্লাহ্ তা'আলা অদৃশ্য সম্পর্কে অবহিত এবং অন্তরের রহস্যাদি সম্পর্কে ওয়াকিফহাল, যদিও তার কাছে অতীত-বর্তমান ও ভবিষ্যত একাকার তবু তিনি পরীক্ষার উদ্দেশ্যে ইবলীসকে প্রশ্ন করলেন।
قال ما منعك الأنسجد اذ أمرتك . قال أنا خير منه
خلقتني من نار وخلفته من طين .
“তিনি বললেন, আমি যখন তোমাকে নির্দেশ দিলাম তখন কী তোমাকে নিবৃত্ত করল তুমি নত হলে না? ইবলিস উত্তরে বলল, আমি তার অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
আমাকে (তুমি) আগুন দিয়ে সৃষ্টি করেছ, আর তাকে মৃত্তিকা দিয়ে।"
(সূরা ঃ আ'রাফ, আয়াত : ১২)
Comments
Post a Comment